একটা গল্পে পড়েছিলাম যে, একটি লোককে চোর বলে সবাই সন্দেহ করছে, ঘিরে ধরেছে, একজন মাতব্বর গেছে ডান্ডা আনতে। ইতিমধ্যে, জানা গেছে লোকটি চোর নয়, নিপাট ভালোমানুষ। পাবলিকের সিমপ্যাথি তার দিকে। কিন্তু ওদিকে সেই মাতব্বর ফিরে এসেছে, সে এসবের কিছুই জানে না, এসে সটান লোকটাকে লাগিয়েছে এক ঘা। পাবলিক ক্ষেপে আগুন, এটা কি হল? মাতব্বর অবাক ! যে প্রশ্ন সে চোর কে করতে যাবে, অবিকল সেই প্রশ্ন তাকে করা হচ্ছে কেন।
আমাদের বর্তমান সময়ে যে পরশ্রীকাতরেরা আমাদের চারপাশে ঘোরাঘুরি করছে, তাদের কিছু কথা তো আগের পোস্টে লিখলাম। কিন্তু একটা শ্রেণীবিভাগ করার কথা ভুলে গেছিলাম। এদের মধ্যে একদল চালাক একদল গর্ধভ। এই গর্ধভেরা যে লেখাটার সোজাসুজি কথা গুলো বুঝে বেজায় রেগে যাবে, তা প্রত্যাশিতই ছিল। যেটা আক্ষেপ সেটা হল যে, আরও অনেক কিছু যে বলেছিলাম সেটা বোঝার মত মাথা যে এদের নেই, যা বলার অ আ ক খ করে বলা উচিত ছিল , সেটা মাথায় রাখা উচিত ছিল।
এখন দুটো জিনিস করা যায়, তাকে ভালোভাবে না বলে তার পন্থায় গালাগালি দেওয়া যায়। দুই তাকে আরও কিছু সূত্র দেওয়া যায়, শেষ প্রচেষ্টা, যদি পদ্মফুল ফোটে !
সে বলেছে আমরা মেকি মহান, সামজিক ব্যাপারে ফালতু লেখালিখি করি, কাজের মুরোদ নেই, সব বিষয়ে নেতিবাচক ভঙ্গি আমাদের, ফেসবুক দিয়ে প্রচুর কাজের কাজ যে হয় তা আমরা জানি না ! এত অনেকটা সেই রাহুল গান্ধীর ইন্টারভিউ এর মত হল। যতই অনর্ব গোস্বামী তাকে গভীরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে, তত সে খোসাটা নিয়ে নাড়াচাড়া করে। আরে ভাই, তোমাকে বলা হয়েছে, আমি দেখেছি তুমি নিমন্ত্রণ করে নিজে খেতে বসে যাও। ভাবো, ভেবে দ্যাখো যে কথাটা শুধু 'আমি দেখেছি' বলা হয়েছে মানেই যে অন্য লোকের সঙ্গে হয়েছে তা নাও হতে পারে। উদাহরণ টেনে এনে একটু মোলায়েম করা হয়েছে। সেটা ঘটে ধাক্কা খেয়ে ফিরে এলো। তারপর, ফেসবুক। ওফ। আমার পরিচিত লেখক লিখেছিলেন যে বেশিরভাগ লোক ফেসবুকে যে সব আপডেট দেয় তা থেকে তাদের প্রকৃতিটা জানা যেতে পারে। এ আপডেট দেয়, আবার কাজও করে; এ কাজ করে, নিঃশব্দে; এ শুধু আপডেট দেয়, কাজের সময় লবডঙ্কা, ইত্যাদি। তো আমাদের এই সহজ মানুষ এতই 'ইয়ে', যে এটা পড়ে তার মনে হয়েছে লেখক নিরাশাবাদী। এর চেয়ে বড় জানালা দিয়ে উঁকি মারা, ঈর্ষা করার উদাহরণ দেওয়া সম্ভব নয়। এই ভীষণ সহজ লোকটাই একবার সেই ফেসবুকে এক রাজনৈতিক মন্তব্যের উপর সম্পূর্ন উল্টো মন্তব্য করেছিল। অন্য একজন তাকে বলেছিল, ভাই তুই চুপ কর, তুই ব্যাপারটা বুঝতেই পারিসনি। তাতেও সহজ মানুষটি রেগে লাল, আমি ঠিকই বুঝেছি। অতঃপর সবাই তাকে বোঝানোর চেষ্টা না করে নিজেদের মত কথা চালিয়ে যায়।
এই যে আপনার সঙ্গে পায়ে পা মিলিয়ে ঈর্ষা করার হলুদ স্বভাব, এরও একটা নড়বড়ে যুক্তি সে খাড়া করবার চেষ্টা করবে। সে বলবে এ সব কাকতালীয়, আমার সময় নেই তোমাকে কপি করার। তা, কাকতালীয় একবার হয়, দুবার হয়, হতেই থাকবে এ কেমন সমাপতন! আর সেই সমাপতন আর কারোর সঙে আমার হচ্ছে না কেন! এ সব অবশ্য তার ভাবার সময় নেই, বা স্বীকার করার সৎসাহস নেই, বা কোনটাই নেই।
এই লোকটি বলেছে যে সে নাকি নিন্দার কথা বলে আসলে শ্রদ্ধার ডালি নিয়ে এসেছিল। এই হয়। সে নিজে এসে কি করে জীবন যাপন করতে হয় সে নিয়ে লাগাতার খুঁচিয়ে গেছে, দিনের পর দিন। শ্রদ্ধা দূর অস্ত, মুখের ওপর অভদ্রতা করেছে, কি না দুজন মানুষ বলেছিল আমরা নিজেদের মত থাকতে পছন্দ করি। এটা ইগো নয়, সংকীর্ণতা নয়, স্রেফ আমার ইচ্ছে। আমরা মহান হবার জন্য বা লোকেদের থেকে আলাদা প্রমান করার জন্য একলা থাকতে চাইনি। আমার ইচ্ছে করেছে তাই নিজের মত থাকতে চেয়েছি। কিন্তু সামনে, পিছনে, কথায়, আচরণে সব সময় যদি একজন বলে তোমরা ভুল করছ, তাকে একদিন বলতেই হয় এবার তুমি এস। আমাকে খোঁচানো ছাড়ো। তাতে আমার বই যদি ঘর সাজানোর উপকরণ হয় তো হোক, আমার গায়ে কাদা লাগে তো লাগুক, অন্ততঃ একদিন কাদা লাগিয়ে এরপর শান্তিতে একলা থাকা যাবে।
তবে এটা কিন্তু খুব আগ্রহের ব্যাপার যে যারা এসব আচরণ করে প্রতিবাদ করলে তাদের যুক্তিটা ঠিক কি হয়। আপনি নতুন রান্না করলেন, সেও অবিকল একই রান্না করল। আপনি বললেন এ কি রে বাবা, এরকম করে কেন! সে বলবে, কেন, তুমি কি একাই রান্না করতে জান। আর কি কেউ জানে না। সবাই বলবে হ্যাঁ, হতেও পারে কোনভাবে ব্যাপারটা মিলে গেছে। তারপর আপনি আপনার বাচ্চার জন্য ভিডিও গেমস কিনবেন। সাধারণ লোকে কি বলবে জানতে পারলে, বাঃ, ভালো ব্যাপার। এ কিন্তু বলবে, হ্যাঁ, ভিডিও গেম আর কি আছে, ও আমরা অনেক খেলেছি। এই এক হুজুগ হল, কদ্দিন চলে দেখি। তারপর একদিন নিজেই একটা কিনে আনবে। আপনি বলবেন, আবার মিলে গেল! এ বলবে, কেন দুনিয়ার সব জিনিস কি আপনার একার নাকি। আপনি বলবেন, তা নয়, কিন্তু সেদিন আপনি এমন নাক কুঁচকালেন -। লোকে বলবে, ঠিক আছে, এবারও হতে পারে কোনোভাবে মিলে গেছে, যাকগে যাক। কিন্তু তারপর - হু হু বাবা, আপনি নড়লে, সেও নড়তে লাগল; আপনি সামাজিক মন্তব্য করলে বলল, এঃ দ্যাশের জন্য ভাবনায় ঘুম হচ্ছে না। আপনি বললেন, দাদা যে অভিযোগ আপনি আমার বিরুদ্ধে করছেন যে আমি সব বিষয়ে আপনার দোষ খুঁজে পাই, কই আমি তো আপনার সামাজিক অসামাজিক কোনো কাজের বা মন্তব্যর বিষয়ে কোনো কথা বলি নি। আমি এমনও বলিনি যে আমার রাস্তাই রাস্তা, সবাই নিজের নিজের মত থাক। আপনি গায়ে পড়ে আপনার মতটা আমার ঘাড়ে চাপাচ্ছেন যখন তখন তো এটা পরিস্কার যে মহান হবার চেষ্টা আসলে আপনার, ইগো যদি থাকে সেটা আপনার। আমি শুধু দিনের পর দিন আপনার মতামতের প্রবাহ শুনতে চাইনি। সে বললে, সেটা বলার ভাষা আছে, আপনি তো এত স্পস্ট করে না বলে একটু ভদ্রতাও করতে পারতেন। তখন আপনাকে সেই অপ্রিয় সত্যটা বলেতেই হবে যে, স্পস্ট করে বলতে না পেরে আকারে ইঙ্গিতে আপনাকে যথেস্ট বোঝানোর চেষ্টা আমি করেছি। আপনি তো বোঝেনই নি, উল্টে কেন আমাকে লোকমুখে আমার সম্পর্কে এত কথা শুনতে হল বলে বাড়ি বয়ে ঝগড়া করেতে এসেছেন। আমাকে উল্টে বোঝাতে এসেছেন যে আমাদের রাস্তা যে ভূল সেটা সময়ই বলবে। আমার শুধু একটা কথা। তাহলে এটা বলবেন না যে আমরা নিজেদেরকে নিয়ে উচ্চ ভাবনায় অন্ধ, পাঁকে নিমজ্জিত, কারণ আমরা কখনও দাবী করিনি আমাদের পথটাই ঠিক, সেই দাবী আপনার। সেটা ফলল কিনা সেটা দেখার ইচ্ছে আপনি প্রকাশ করেছেন, আমি জানি না আমার পথ ঠিক না ভূল, আপনার সঙ্গে কোনো আলোচনা চাইনা, শুধু নিজেদের মত থাকতে চাই। তাই, শেষবারের মত, DON'T INTERFERE PLEASE!
এই যে আপনার সঙ্গে পায়ে পা মিলিয়ে ঈর্ষা করার হলুদ স্বভাব, এরও একটা নড়বড়ে যুক্তি সে খাড়া করবার চেষ্টা করবে। সে বলবে এ সব কাকতালীয়, আমার সময় নেই তোমাকে কপি করার। তা, কাকতালীয় একবার হয়, দুবার হয়, হতেই থাকবে এ কেমন সমাপতন! আর সেই সমাপতন আর কারোর সঙে আমার হচ্ছে না কেন! এ সব অবশ্য তার ভাবার সময় নেই, বা স্বীকার করার সৎসাহস নেই, বা কোনটাই নেই।
এই লোকটি বলেছে যে সে নাকি নিন্দার কথা বলে আসলে শ্রদ্ধার ডালি নিয়ে এসেছিল। এই হয়। সে নিজে এসে কি করে জীবন যাপন করতে হয় সে নিয়ে লাগাতার খুঁচিয়ে গেছে, দিনের পর দিন। শ্রদ্ধা দূর অস্ত, মুখের ওপর অভদ্রতা করেছে, কি না দুজন মানুষ বলেছিল আমরা নিজেদের মত থাকতে পছন্দ করি। এটা ইগো নয়, সংকীর্ণতা নয়, স্রেফ আমার ইচ্ছে। আমরা মহান হবার জন্য বা লোকেদের থেকে আলাদা প্রমান করার জন্য একলা থাকতে চাইনি। আমার ইচ্ছে করেছে তাই নিজের মত থাকতে চেয়েছি। কিন্তু সামনে, পিছনে, কথায়, আচরণে সব সময় যদি একজন বলে তোমরা ভুল করছ, তাকে একদিন বলতেই হয় এবার তুমি এস। আমাকে খোঁচানো ছাড়ো। তাতে আমার বই যদি ঘর সাজানোর উপকরণ হয় তো হোক, আমার গায়ে কাদা লাগে তো লাগুক, অন্ততঃ একদিন কাদা লাগিয়ে এরপর শান্তিতে একলা থাকা যাবে।
তবে এটা কিন্তু খুব আগ্রহের ব্যাপার যে যারা এসব আচরণ করে প্রতিবাদ করলে তাদের যুক্তিটা ঠিক কি হয়। আপনি নতুন রান্না করলেন, সেও অবিকল একই রান্না করল। আপনি বললেন এ কি রে বাবা, এরকম করে কেন! সে বলবে, কেন, তুমি কি একাই রান্না করতে জান। আর কি কেউ জানে না। সবাই বলবে হ্যাঁ, হতেও পারে কোনভাবে ব্যাপারটা মিলে গেছে। তারপর আপনি আপনার বাচ্চার জন্য ভিডিও গেমস কিনবেন। সাধারণ লোকে কি বলবে জানতে পারলে, বাঃ, ভালো ব্যাপার। এ কিন্তু বলবে, হ্যাঁ, ভিডিও গেম আর কি আছে, ও আমরা অনেক খেলেছি। এই এক হুজুগ হল, কদ্দিন চলে দেখি। তারপর একদিন নিজেই একটা কিনে আনবে। আপনি বলবেন, আবার মিলে গেল! এ বলবে, কেন দুনিয়ার সব জিনিস কি আপনার একার নাকি। আপনি বলবেন, তা নয়, কিন্তু সেদিন আপনি এমন নাক কুঁচকালেন -। লোকে বলবে, ঠিক আছে, এবারও হতে পারে কোনোভাবে মিলে গেছে, যাকগে যাক। কিন্তু তারপর - হু হু বাবা, আপনি নড়লে, সেও নড়তে লাগল; আপনি সামাজিক মন্তব্য করলে বলল, এঃ দ্যাশের জন্য ভাবনায় ঘুম হচ্ছে না। আপনি বললেন, দাদা যে অভিযোগ আপনি আমার বিরুদ্ধে করছেন যে আমি সব বিষয়ে আপনার দোষ খুঁজে পাই, কই আমি তো আপনার সামাজিক অসামাজিক কোনো কাজের বা মন্তব্যর বিষয়ে কোনো কথা বলি নি। আমি এমনও বলিনি যে আমার রাস্তাই রাস্তা, সবাই নিজের নিজের মত থাক। আপনি গায়ে পড়ে আপনার মতটা আমার ঘাড়ে চাপাচ্ছেন যখন তখন তো এটা পরিস্কার যে মহান হবার চেষ্টা আসলে আপনার, ইগো যদি থাকে সেটা আপনার। আমি শুধু দিনের পর দিন আপনার মতামতের প্রবাহ শুনতে চাইনি। সে বললে, সেটা বলার ভাষা আছে, আপনি তো এত স্পস্ট করে না বলে একটু ভদ্রতাও করতে পারতেন। তখন আপনাকে সেই অপ্রিয় সত্যটা বলেতেই হবে যে, স্পস্ট করে বলতে না পেরে আকারে ইঙ্গিতে আপনাকে যথেস্ট বোঝানোর চেষ্টা আমি করেছি। আপনি তো বোঝেনই নি, উল্টে কেন আমাকে লোকমুখে আমার সম্পর্কে এত কথা শুনতে হল বলে বাড়ি বয়ে ঝগড়া করেতে এসেছেন। আমাকে উল্টে বোঝাতে এসেছেন যে আমাদের রাস্তা যে ভূল সেটা সময়ই বলবে। আমার শুধু একটা কথা। তাহলে এটা বলবেন না যে আমরা নিজেদেরকে নিয়ে উচ্চ ভাবনায় অন্ধ, পাঁকে নিমজ্জিত, কারণ আমরা কখনও দাবী করিনি আমাদের পথটাই ঠিক, সেই দাবী আপনার। সেটা ফলল কিনা সেটা দেখার ইচ্ছে আপনি প্রকাশ করেছেন, আমি জানি না আমার পথ ঠিক না ভূল, আপনার সঙ্গে কোনো আলোচনা চাইনা, শুধু নিজেদের মত থাকতে চাই। তাই, শেষবারের মত, DON'T INTERFERE PLEASE!
No comments:
Post a Comment